ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে

Uncategorized

অনলাইন ডেস্ক:: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সোমবার রাত ৩টার দিকে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ  থেকে তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। তথ্যকেন্দ্র থেকে পাওয়া যাচ্ছে হতাহতদের পরিচয়।কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবন জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ  থেকে তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। হতাহতের পরিচয় পেলেই জানানো হচ্ছে। আর আটকে পড়া যাত্রীদের খাবারের ব্যবস্থাও করেছে উপজেলা প্রশাসন। চেয়ারম্যান আরও জানান, আইনমন্ত্রী উপজেলা চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন যাত্রীদের সুবিধামতো স্থানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যেন  গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। আইনমন্ত্রীর বাড়ি এই কসবা উপজেলায়।পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমানও ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তিনি জানান, পুলিশ সার্বিকভাবে চেষ্টা করছে উদ্ধারকাজে।মঙ্গলবার ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আন্তনগর ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৯ জন মারা যান। পরে মারা যান আরও সাতজন।দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী জানান, ট্রেনের প্রায় সব যাত্রীই ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে সবার। চোখ খুলেই দেখেন চারপাশ লন্ডভন্ড। ট্রেনের যাত্রীরা বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার করছেন। অনেক জায়গায় হতাহতদের রক্ষের ছাপ। যারা বেঁচে আছেন তাদের অনেকে জানালা দিয়ে লাফিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মদনমোরাাদ এলাকার আইয়ূব হোসেনের ছেলে আল-আমিন (৩৫), আনোয়ারপুর এলাকার মো. হাসানের ছেলে আলী মো. ইউসূফ (৩৫), চুনারুঘাট উপজেলার পীরেরগাঁও এলাকার সুজন (২৪), চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজাগাঁও এলাকার মজিবুর রহমান (৫০) ও তার স্ত্রী কুলসুমা (৪২)।

পোস্টটি শেয়ার করুন