শীত মৌসুমেও কমছে না সবজির দাম, বেশি দামের কারণে চরম বিপাকে মধ্যবিত্ত নিম্ন আয়ের মানুষ 

অর্থনীতি শিরোনাম
মোঃ মনির  হোসেন, নবীনগর প্রতিনিধি:: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা  ভিন্ন ভিন্ন বাজারে সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় যে, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবজির সরবরাহ বেড়ে গেলে দামও কমে আসেনি। কিন্তু বিক্রিতারা জানান, বেশি দামে সবজি কিনতে হয় বলে বিক্রিও করতে হয় বেশি দামে। তবে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবজি সরবরাহ বেড়ে গেলে দামও কমে আসবে বলেন সবজির বিক্রেতারা। ভোলাচংও জবানোদপুর জারে ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের শীতের সবজি নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা।
সবজির মধ্যে শিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকা, ফুল কপি প্রতি কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা, করলা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শীতের সবজির মধ্যে টমেটো থাকলেও এখন সারা বছরই টমেটো পাওয়া যায়। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা থেকে ১০০ টাকা, কেজি পটল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কচুর দামও একভাবে বৃদ্ধি পেযে ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা ঠেকেছে।
ক্রেতা সৈয়দ রাকিব জানান, শীতের মৌসুমে সবজির দাম কম হওয়ার কথা কচুরমুখি ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। ক্রেতা জরনা বেগম   জানান, এখন বাজারে করতে এসে অইেশ সমস্যায় পড়তে হয় পালাং শাক লাল শাক কিনতে হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি, ডেড়শ ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা।
বিক্রেতা রিমন বলেন “আমরা বেশি দামে কিনে আনি তাই আমাদেরকে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়” বিক্রেতা নুর আলম বলেন “শীম কিনে আনছি ৯৫ টাকা করে বিক্রি করছি ১০০ টাকা করে পুরান আলু বিক্রি করতেছি ২৩ টাকা থেকে ২৫টাকা কেজি”, তবে শীতের নতুন আলু জিনোদপুর বাজারে আসেনি এখনো।
পোস্টটি শেয়ার করুন