গাজীপুর গাছা থানা এলাকায় বৃদ্ধা প্রবাসীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

অপরাধ শিরোনাম

গাজীপুর প্রতিনিধি পলাশ সরকার: এক অসহায় বৃদ্ধ নারী ৩০ বছর আগে তার বিবাহ হয় বাড়িটি ভাড়া দিয়েছিল সে বাড়ির মালিকের সাথে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক ।এক পর্যায়ে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই সম্পর্কের অবনতি ঘটে তাদের, এরি এক পর্যায়ে তার ঘরে এক ছেলে এক মেয়ে জন্মহয়।সংসারের অভাব-অনটনের মধ্যেও সামিয়ার লম্পট স্বামী সে একে একে পাঁচটি বিয়ে করে।তার অভাবের সংসার এবং ঘরে সতীন বারতে থাকায় স্ত্রী তখন সে অভাবের তাড়নায় দেশের বাহিরে পাড়ি দেন, বিদেশে আড়াই বছর কাজ করে দেশে ফিরে তার স্বামীর হাতে পাঠানো সকল টাকা সহ, পূর্বে পাঠানো সকল অর্থ স্বামীর হাতে দেয়া নিঃশ্বেস হয়ে যায়।

স্বামীর হাতে পাঠানো সেই টাকা দিয়ে তার নিজের মত করে সংসার সাজায় ছোট বউকে নিয়ে।বিদেশ থেকে আসার পরে কিছুদিন তাকে ভরণ পোষণ করলেও সর্বশেষ একটি অটো গাড়ি কিনে দৈনিক যে জমা টাকা আসে সেই টাকা দিয়ে চলত সংসার, সেই সংসারে আসলো দ্বিতীয়বার আবার অভাব-অনটনে বিক্রি করে দিল এই লম্পট স্বামী যে তার নাকি অভাব তখন সে বলল আমি তোমাদের ভরণপোষণ করব গাড়িটা বিক্রি করে টাকা দেয়।

মহিলা গাড়ি বিক্রি করে টাকা স্বামীর হাতে তুলে দেওয়ার পরে আসে সংসারের অধঃপতন।বিগত ৫ থেকে ৬ মাস কোন খাবার দেয় না বরং বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে। সামিয়ার সাথে করে ছোট বউ এবং তার মেজ বউ মুকুল ব্যাপক মারধর করে এবং কিভাবে এই বসতভিটা থেকে বিতাড়িত করা যায় সেই কৌশল অবলম্বন করে এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করা হয় পরবর্তীতে ১৬ সালে আবার নতুন করে মামলা রেকর্ড করা হয়।

সর্বশেষ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেট্রোর গাছা থানা আরেকটি অভিযোগ দাখিল করা হয় তাও কোন শহর না পেয়ে তিনি এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে ভুগছেন এই বক্তব্যকে চাওয়া তার স্বামীর কাছে যতটুকু প্রাপ্য অতটুকু বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য এবং সে মুহূর্তে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পাষণ্ড স্বামী ও তার মেজ বউ এর ছেলে মুকুলের কারণে। যে কোনো সময়ে তাদেরকে হত্যা করতে পারে বলে বক্তব্যে মহিলা আকুল আবেদন জানান গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র, গাজীপুর গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ যেন সুদৃষ্টিদেন। এবং তার জানমাল নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বুক্তভুগি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই ।

পোস্টটি শেয়ার করুন