মায়ের দোয়া ক্লিনিকটি বন্ধো করার উদ্দেশ্যে ডাঃ রেজাউল করিম এর উপর সন্ত্রাসী হামলা

শিরোনাম সারাদেশ
এ এইচ অনিক বিশেষ প্রতিনিধি : মহামারী করনার এই কঠর লকডাউনে আমাদের দেশের তথাকথিত কিছু ক্লিনিকের ডাক্তার বা মালিক জখন রুগিদের সাথে কশাইদের মতো আচরন করেন,  তাদের থেকে বিভিন্ন অজুহাতে হাতিয়ে নেন অতিরিক্ত অর্থ যে অর্থ যোগাতে ঐসব গরিব রুগীদেরকে তাদের ভিটা বাড়ি বিক্রি করতে হয়।
সেসব অসহায় রুগীদের কম মুল্যে চিকিৎসা সেবাদেওয়া ও ডাক্তারের ফি সহ সিট ভাড়া, না নেওয়া, এমন কি, দুর দুরন্ত থেকে আশা রুগী ও তার পরিবার কে নানা রকম বার্তী সুযোগ সুবিধা দেওয়া সহ বিভিন্ন কারনে স্থানীয় এবং প্রতিবেশী কয়েকটি উপজেলার ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা কমতে থাকার কারনে অনেক ক্লিনিক মালিকের নোংরা চক্রান্তে শিকার বরিশাল জেলার উজিরপুর পশ্চিম সাতলা মায়ের দোয়া ক্লিনিক ও এর মালিক, ডাঃ রেজাউল করিম।
তার হাতের স্পর্শে ও তার মায়াবি আচার আচারনে দুর দুরন্ত থেকে ছুটে আশেন শত শত রুগী। যেমন এলাকা ছাড়াও প্রতিবেশী জেলা, পটুয়াখালী, ঝালোকাঠি, ভোলা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, নড়াইল, যশোর, খুলনা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রুগী নিয়ে আসেন তাদের পরিবার।
আর এসব রুগী আসার কারন হলো তাদের ভালো চিকিৎসা সহ মায়ের দোয়া ক্লিনিকের স্টাফ ও সেবিকাদের স্বঠিক সেবা প্রদান। কদিন আগের সামান্য একটি ঘটনার জেরে কোটালিপাড়ার গলংকো গ্রামের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সাথে গোপনে হাত মিলিয়ে ডাঃ রেজাউল করিমকে হত্যা ও মায়ের দোয়া ক্লিনিকটি কে বন্ধকরার উদ্দেশ্যে হামলা করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়।
ঘটনার প্রকাশ,  গতো ৫ আগস্ট বিকাল ৫টায় কোটালিপাড়া উপজেলার বালিয়া ভাঙ্গা স্কুলের উত্তর পাসে ছাত্রাবাস গল্লির ভেতরে নিরিবিলি স্থানে নিয়ে তার মটর সাইকেল ভাংচুর সহ লোহার রড লাঠিসোঁটা এমন কি ইটের আঘাতে মাথা,পিঠে, ও হাতের কবজি সহ তাকে হত্যার উদ্দেশ্যই তাকে বেদম প্রহর করা হয়।
এসময় তার পকেটে থাকা নগত ২৫ হাজার টাকা নিয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে ডাঃ রেজাউল করিম কে কোটালিপাড়া উপজেলা সাস্থকেন্দ্রে  ও পরে তাকে বরিশাল মেডিকেলে চিকিৎসা দেওয়াহয় বলে ডাঃ রেজাউল করিম আমাদের প্রতিনিধি বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমি অসুস্থ মানুষ, কয়েক বছর আগে আমার নিজের  ওপেন হার্ট সার্জারী হয়েছে ভারতের মাদ্রাজে, আমি কখনও কাহারো সাথে কোন প্রকার দন্দে জড়াইনি, আমি সবসময় আমার সাধ্যমতো এলাকার গরিব অসহায়দের সাহায্য সহযোগিতার করেথাকি, শুধু এলাকায় নয় দুরের রুগী ও তাদের সাথে আশা তাদের পরিবার কে ও আনেক সময় ফ্রী সেবা দিয়েথাকি। আমি সব সময় সবার শাথে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করি। তার পরেও আমাকে এভাবে আঘাত করা ও আমাকে হত্যাচেষ্টার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার সহ তাদের কঠোর শাস্তির দাবি করছি। এক প্রশ্নের জবাবে ডাঃ রেজাউল করিম বলেন, ঘটনার পরে আমার স্ত্রী লায়জু বেগম বাদি হয়ে ৬ জনকে আসামি করে কোটালিপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই  আঃ করিম বলেন ঘটনার দিন থেকে হামলাকারীদের ধরতে আমাদের অভিযান চলছে আসাকরি দ্রুত আসামি গ্রেফতার করতে সক্ষম হব। 
পোস্টটি শেয়ার করুন