সিদ্ধিরগঞ্জে শ্রমিক ছাটাইয়ের প্রতিবাদে শ্রমিক অসন্তোষ ভাংচুর আহত-৩

শিরোনাম সারাদেশ

এন.এন.এস২৪, সিদ্ধিরগঞ্জ (২৩’ডিসেম্বর ২০১৯ইং সোমবার) : সিদ্ধিরগঞ্জে সুমিলপাড়া এলাকায় একটি গার্মেন্টস শ্রমিক অসন্তোষ, ভাংচুর আহত-৩। গতকাল সোমবার সকাল ১০’টায় মুনলাক্স নীট কম্পোজিট গার্মেন্টস লিমিটেডে এ ঘটনাটি ঘটে।

গত ২২’ডিসেম্বর আমিনুল নামে একজন গার্মেন্টস অপারেটরকে বিনা নোটিশে ছাটাই করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। পরে গত ২২’ডিসেম্বর রাত ৯’টায় অফিসকক্ষে কতৃপক্ষসহ বহিরাগত লোকজন মিলে শ্রমিক আমিনুলকে আটক রেখে জোর পূর্বক ছাটাই মানতে বাধ্য করে। গতকাল সোমবার সকাল ১০’টার সময় ছাটাই করা শ্রমিক আমিনুলের সহকর্মীরা বিষয়টি জানতে জিএম মনির হোসেন ও এডমিন সিহাবের কাছে যায়।

এসময় তারা দু’জন ক্ষুব্ধ হয়ে মহিলা শ্রমিকদের অকথ্য ভাষায় গালা-গালী করে। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মহিলা শ্রমিকরা তাদের দু’জনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এসময় কতৃপক্ষ গার্মেন্টস শ্রমিকদের উপর হামলা চালায়। এঘটনার জের ধরে মালিকের লোকজন গামের্ন্টসে ভাংচুর করে শ্রমিকের উপরে দায়ভার চাপিয়ে দেয়। এতে গার্মেন্টসটির জিএম মনির ও দুই শ্রমিক আহত হয়েছে। আহত তিন জনের মধ্যে দু’জনকে নারায়ণগঞ্জ খানপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শ্রমিকরা জানায়, গার্মেন্টেসের জিএম মনির হোসেন ও এইচ আর এডমিন সিহাব উদ্দিন গত ২২’ডিসেম্বর বহিরাগত লোক এনে শ্রমিক আমিনুলকে গার্মেন্টসে রাত সাড়ে ৯’টা পর্যন্ত আটকে রাখে এবং হুমকি দিয়ে তাকে ছাটাই করে দেয়।

গতকাল সোমবার সকালে শ্রমিকরা আমিনুলের ছাটাই আদশে প্রত্যাহারের জন্য জিএম মনির হোসেন ও এইচ আর এডমিন সিহাব উদ্দিনকে অনুরোধ করলে তিনি শ্রমিকদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে। এতে ক্ষুব্দ হয়ে পড়ে শ্রমিকরা। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক জানায়, গার্মেন্টসের বিশৃঙ্খলার খবর পেয়ে আমাদের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছে। আমরা মালিকপক্ষের সাথে এ ব্যাপরে কথা বলছি। মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবিগুলো মেনে না নিলে এবং শ্রমিকরা অভিযোগ দিলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ রয়েছে।

গার্মেটেসের মালিক মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের জানায়, বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা গার্মেন্টসে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এতে গার্মেন্টসের প্রায় ২৫’থেকে ৩০’লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যপারে তিনি আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানায়। বিনা নোটিশে শ্রমিক ছাটাই ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দের কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, ঐ শ্রমিক স্বেচ্ছায় এ মাসের পর চাকুরী করবেনা বলে জানানোর পর তার পাওনাদি আমরা তাকে দিয়ে দিয়েছি। কিন্তু সে পাওনাদি পাওয়া সত্বেও আরো ২৫-৩০ জনকে অগ্রীম তিন মাসের পাওনা নিয়ে বের হয়ে যেতে আমাদের উপর চাপ প্রয়োগ করছিলো। আমরা তাদের কথায় রাজী না হওয়ায় তারা ভাংচুর করে এবং জিএম ও এডমিনকে মারধর করে

পোস্টটি শেয়ার করুন