সুস্থ ধারার সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদান রাখায় গুণীজন সংবর্ধনা

শিরোনাম শিল্প-সাহিত্য

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ নবীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও হবিগঞ্জ বাংলাদেশ বাউল ফোরাম ইউকে’র উপদেষ্টা আলহাজ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম বলেন,
অপসংস্কৃতির আগ্রাসনে শিশু থেকে শুরু করে যুব সমাজ প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, তাই বৃহত্তর সিলেট বিভাগ তথা দেশ থেকে অপসংস্কৃতি রোধকল্পে জনসচেতনতার বিকল্প নেই৷

সুস্থ সংস্কৃতির প্রচলন, বিচরণ এবং চর্চার মধ্য দিয়ে একটি আদর্শিক মানুষ গঠন করা সম্ভব৷ ১৭ জুন বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে সুস্থ ধারার সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য হবিগঞ্জ বাংলাদেশ বাউল ফোরাম ইউকে কর্তৃক
গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন৷

উক্ত ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক ও গীতিকার এম মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে,সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাংবাদিক ছনি চৌধুরী’র সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ সরওয়ার শিকদার,বর্তমান সহসভাপতি শাহ্ সুলতান আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম মিয়া তালুকদার,সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাকিল হোসেন,সাংবাদিক মুরাদ আহমেদ,

উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মোঃ দুলাল চৌধুরী, শাহ আব্দুল করিম বাউল গোষ্ঠী হবিগঞ্জ সিলেটের সভাপতি বাউল প্রাণকৃষ্ণ গোপ, সারেগামা সংগীত প্রশিক্ষণ একাডেমির সভাপতি বাবু বিন্দু সূত্রধর,হবিগঞ্জ বাংলাদেশ বাউল ফোরাম ইউকে’র উপদেষ্টা এখলাছুর রহমান আজাদ,সংবর্ধিত অতিথি বাউল শিউলী খন্দকার,

আওয়ামীলীগ নেতা বানু দাশ,শিল্পু মেম্বার,আনন্দ সংগীত একাডেমীর সভাপতি খালেদ আহমদ,সাধারণ সম্পাদক মন্টি ঠাকাুর৷ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন  সংগীত অনুরাগী, জাকির হোসেন, নাসির মিয়া,শিল্পী ফুল মিয়া সরকার, মোস্তফা, লিংকন মিয়া দেলোয়ার সরকার,আলী হোসেন,সনজিত, গোলজার মিয়া,ফকির গফুর মিয়া ও নানু মিয়া  প্রমুখ৷ অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জননেতা আলহাজ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম ও মৌলভী বাজারের বাউল শিল্পী শিউলী খন্দকারকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়৷

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন বৈশ্বিক  মহামারিরকালে গভীর সংকটে বাউল শিল্পী গোষ্ঠী । কেননা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে তাদের সবধরনের গান,বাজনা বন্ধ থাকায় তারা পড়েছেন চরম বিপাকে,তাদের উপার্জন  বিনিময় হয় দর্শকদের মধ্যে। কিন্তু এই দর্শক আর শিল্পীর সম্মিলনটা এখন কঠিন, অনিরাপদ বটে। অন্যদিকে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস প্রায় বছর দেড়েক যাবত সব ধরনের অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিল্পী গোষ্ঠীর দিনকাল খুবই খারাপ যাচ্ছে,  কবে খুলবে সেটাও অনিশ্চিত৷ তাই প্রকৃত সুবিধাভোগী শিল্পীরা যাতে সরকারী অনুদান ও সম্মানী থেকে বঞ্চিত না হন,সেদিকে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি কামনা করে, শিল্পীদের কল্যাণে সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি৷

পোস্টটি শেয়ার করুন